+880 1872-871345 info@jashimuddinfoundation.com চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
কমিউনিটি সংবাদ প্রকাশিত জুন ১৩, ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ৬ বার সরকার থেকে সেরা রেমিট্যান্স প্রেরণকারী হিসেবে পুরষ্কার পাওয়া আলহাজ জসিম উদ্দিনের অর্থায়নে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে চট্টগ্রামের রাউজানের ৩০ হাজার পরিবারে পুরো রমজান মাসের জন্য ১০ দিন ব্যাপী খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শুরু হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ইউনুচ কোম্পানীয় বাড়িতে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি থেকে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ফাউন্ডেশনটির পরিচালক আলহাজ মোহাম্মদ রফিক। অতিথি ছিলেন ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোহাম্মদ মোখতার আহমদ, আবু তাহের, নোয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মাস্টার, সমাজসেবক খসরুল আমিন চৌধুরী, ফাউন্ডেশনের পরিচালক ইয়াসিনুল হক, ফারুক আজম, আইআইইউসির অধ্যাপক ড. মফিজুর রহমান, সমাজসেবক আশরাফ আলী, সাংবাদিক এস এম ইউসুফ উদ্দিন, মাওলানা মুফতি ইব্রাহিম প্রমুখ।

জানা গেছে ওই এলাকার এক সময়ের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ইউনুচ কোম্পানির পুত্র প্রবাসী ব্যবসায়ী আলহাজ জসিম উদ্দিনের নামে গড়া আলহাজ জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় এ কার্যক্রমের উদ্যোগ নেন তিনি। ১০ দিন পর্যন্ত বিতরণের এ কার্যক্রম চলবে।

সুশৃঙ্খলভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গত একমাস ধরে সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ করে ফাউন্ডেশনটি। এরআগে গত ৬ মাস ধরে রাউজানের ১৪ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভার প্রায় ৩০ হাজার দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিবন্ধন করা হয়েছে। বিতরণ করা হয়েছে সামগ্রী গ্রহণের ডিজিটাল কার্ড। কার্ডটি বিতরণ স্থানের তথ্য যাচাই-বাছাই বুথ থেকে স্ক্যানারের মাধ্যমে সামগ্রী গ্রহিতার পরিচয় শনাক্ত করার পর তাদের মধ্যে এসব খাদ্য সামগ্রী তুলে দেয়া হচ্ছে। বিতরণ করা খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে আছে ১ বস্তা করে চাল, ১ বস্তা আলু, ছোলা, সেমাই, চিনি, তেল, চিড়া, ডাল, মুড়িসহ অন্যান্য মোট ৯ টি পণ্য সামগ্রী।

জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ বছর ধরেই প্রবাসী ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন পবিত্র রমজান মাসে ধারাবাহিকভাবে দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারে এই খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এবার ৩০ হাজার পরিবারের বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গত ৬ মাস ধরে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এরমধ্যে জসিম উদ্দিনের বাবা ইউনুচ কোম্পানির বাড়িতে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। মজুদ করে রাখা হয়েছে খাদ্য সামগ্রী। ১০ দিনে প্রতিদিন ৩ হাজার পরিবারের মাঝে বিতরণ কার্যক্রম চালু থাকবে। এসব কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য কাজ করবে ১০০ এর অধিক জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশনের কর্মীরা।